গাজায় গণহত্যা: দ্বিতীয় দিনে জাতিসংঘের এক কর্মকর্তাসহ ২০ জন নিহত

গাজায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ কার্যকর হওয়ার আগেই মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) সেহরির সময় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী নতুন করে হামলা চালায়। এতে নারী-শিশুসহ চার শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হন।
দ্বিতীয় দিনেও জাতিসংঘের এক কর্মকর্তাসহ ২০ জন নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকায় বিশ্লেষকদের দাবি, গদি রক্ষায় বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামাসের সঙ্গে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি করলে তার রাজনৈতিক জোট ভেঙে যাওয়ার শঙ্কা ছিল। কট্টর ডানপন্থি নেতারা হুমকি দিয়েছিলেন জোট ছেড়ে দেওয়ার, যা নেতানিয়াহুর সরকারকে দুর্বল করে তুলতে পারত। তাই আগাম নির্বাচন এড়াতে তিনি ফের হামলা শুরু করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন নিয়ে ইসরায়েল গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে। ১৯ জানুয়ারি যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতাকারী হয়েও যুক্তরাষ্ট্র এখন হামলার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, জিম্মি মুক্তি না দিলে গাজাকে ‘নরক’ বানানো হবে।
ইসরায়েলি বাহিনী গাজার আবাসিক ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শরণার্থী শিবিরে হামলা চালিয়ে শত শত মানুষ হত্যা করেছে। যতদিন প্রয়োজন, ততদিন হামলা চলবে বলে জানিয়েছে তেল আবিব।