জ্ঞান ফিরেছে, পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন তামিম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৪ মার্চ ২০২৫, ০৫:৪৩ পিএম
-67e1457810d2e.jpg)
তামিম ইকবালের জ্ঞান ফিরেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান চিকিৎসক ডা. দেবাশীষ চৌধুরী। তিনি জানান, তামিম এখন চোখ খুলেছেন এবং রেসপন্স করছেন। ডাক্তারের সঙ্গে নাকি তার কথাও হয়েছে, নিজেই জানিয়েছেন আগের চেয়ে ভালো লাগছে, তামিম কথা বলেছেন তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও।
ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ম্যানেজার শাহরিয়ার নাফিস জানিয়েছেন, তামিমের জ্ঞান ফিরেছে। নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘জ্ঞান ফিরেছে তামিম ইকবালের, তাকে সিসিইউতে রাখা হয়েছে। তামিমের জন্যে সবাই দোয়া করবেন।’
এর আগে বিকেএসপির মাঠে খেলা চলাকালীন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তামিম ইকবাল। অসুস্থতার তীব্রতা দেখে দ্রুতই বিকেএসপির নিকটস্থ কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজে নেওয়া হয়। সেখানে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও এনজিওগ্রামের পর তামিমের হার্টে ব্লক ধরা পড়েছে। এরই মধ্যে হার্টে পরানো হয়েছে একটি রিং। বাংলাদেশের এই তারকা ক্রিকেটারকে রাখা হয়েছে ৪৮ ঘণ্টার নিবিড় পর্যবেক্ষণে।
আজ দুপুরে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন কেপিজে হাসপাতালের মেডিকেল ডিরেক্টর ড. রাজীব হাসান। তিনি বলেন, ‘যখন তাঁকে (তামিম) নিয়ে আসা হয়, তখন চিকিৎসা শুরু হয়। পরবর্তীতে আমরা চিন্তা করি ঢাকায় নিয়ে যাওয়া যাবে কি না। বিভিন্ন কারণে আসলে ঢাকা নিয়ে যাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে তাঁর অবস্থা আসলে জটিল হয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, জটিল অবস্থাতেই তিনি আসেন এবং জটিল অবস্থায় যতগুলো চিকিৎসা প্রয়োজন, সবগুলোই করা হয়েছে। আল্লাহর রহমতে পরিস্থিতি অনুকূলে আছেন। তাঁর হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। সেজন্য অ্যানজিওগ্রাম, অ্যানজিওপ্লাস্টি ও স্টেন্ট করা হয়েছে। ড. মারুফ তাঁর (তামিম) এই স্টেন্টিং দক্ষতার সঙ্গে করেছেন। এই ব্লকটা পুরোপুরি চলে গেছে।’
রাজীব জানান, ব্লক দূর হলেও তামিমের জটিল অবস্থা এখনো কাটেনি। স্টেন্টিংয়ের পরও তিনি পর্যবেক্ষণে আছেন। আমরা তাঁর জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করছি। তিনি (তামিম) ভালো হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন বলে আশা করছি। সবাই দোয়া করবেন।’
এদিকে তামিমের অসুস্থতা নিয়ে তাঁর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে একটি পোস্ট দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘সকালে টসের পর হালকা বুকে ব্যথা অনুভব করলে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড় বিষয়টি দ্রুত দলের ফিজিও ও ট্রেইনারকে জানান। প্রাথমিকভাবে গ্যাস্ট্রিকজনিত সমস্যা মনে হওয়ায় তিনি গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ গ্রহণ করেন। তবে কিছুক্ষণ পরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় সতর্কতার অংশ হিসেবে নিকটতম হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং চিকিৎসা শেষে তিনি বিকেএসপিতে ফিরে আসেন।’