ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ২৫০ কোটি টাকা ইস্যুতে কী বলছেন নাহিদ

নাহিদ ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
বিন্যান্স (Binance) অ্যাকাউন্টে থাকা বিটকয়েন নামে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যালেন্সে সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের প্রায় আড়াইশ কোটি টাকা আছে বলে দাবি করা হয় দ্য এশিয়াপোস্ট নামে একটি অনলাইন পোর্টালের খবরে। ঘুষ ও অবৈধভাবে এই অর্থ অর্জন করা হয় বলে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়।
শুধু নাহিদ নয়, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা শফিকুল আলম, আরেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদসহ ছাত্র-আন্দোলনের বেশ কয়েকজন সমন্বয়কের নামও আসে ওই খবরে। এই নিয়ে আজ বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ব্যাপক প্রোপাগান্ডাও চালান।
এদিকে, নিজের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগের ব্যাপারে কথা বলেছেন সদ্য সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি তথ্য উপদেষ্টার দায়িত্ব পালনকালে কত টাকা বেতন পেয়েছেন এবং কত টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করেছেন তার হিসাব দিয়েছেন। পোস্টের সঙ্গে সোনালী ব্যাংকের থাকা হিসাবের স্ট্যাটমেন্টও তুলে ধরেছেন। তার পোস্টটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো:
‘উপদেষ্টা পদে যোগদানের আগে আমার কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছিল না। ২১ আগস্ট উপদেষ্টা পদে দায়িত্ব পালনের জন্য সম্মানী গ্রহণের লক্ষ্যে সরকারিভাবে সোনালী ব্যাংকে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলি। উক্ত অ্যাকাউন্টে ২১ আগস্ট ২০২৪ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত লেনদেনের হিসাব জনগণের কাছে উপস্থাপন করছি।
উক্ত হিসাবে ১০,০৬,৮৮৬ (দশ লক্ষ ছয় হাজার আটশত ছিয়াশি) টাকা জমা হয়েছে এবং ৯,৯৬,১৮৮ (নয় লক্ষ ছিয়ানব্বই হাজার একশত আটাশি) টাকা উত্তোলিত হয়েছে। উল্লেখ্য, সোনালী ব্যাংকের এই অ্যাকাউন্টটি ছাড়া আমার অন্য কোনো অ্যাকাউন্ট নেই।
উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন, আমার বা আমার পরিবারের কোনো সদস্যের (স্ত্রী/মা/বাবা) নামে বাংলাদেশের কোথাও জমি বা ফ্ল্যাট নেই বা আমার বা আমার পরিবার কর্তৃক ক্রয় করা হয়নি।
আমার একান্ত সচিবের ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ এর হিসাবে ৩৬,০২৮ (ছত্রিশ হাজার আটাশ) টাকা রয়েছে। উনি একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর উনার নিজের নামে বা উনার পরিবারের (স্ত্রী/মা/বাবা) কারো নামে বাংলাদেশের কোথাও কোনো সম্পত্তি ক্রয় করা হয়নি।

এছাড়া আমার ব্যক্তিগত কর্মকর্তাসহ অন্য যেকারো সম্পদের হিসাব স্বচ্ছ হিসাব রয়েছে। প্রয়োজনে উন্মুক্ত করা হবে।
তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ অনুযায়ী বাংলাদেশের যেকোনো সরকারি দপ্তরে উক্ত তথ্য যাচাইযোগ্য।’