Logo
Logo
×

বিশ্লেষণ

বেশির ভাগ ব্র্যান্ড বাংলাদেশ থেকে পোশাকের অর্ডার প্রত্যাহার করেনি: সমীক্ষা

ডেস্ক রিপোর্ট

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১১:১৭ এএম

বেশির ভাগ ব্র্যান্ড বাংলাদেশ থেকে পোশাকের অর্ডার প্রত্যাহার করেনি: সমীক্ষা

বেশির ভাগ বড় ব্র্যান্ড বাংলাদেশে অস্থিরতা সত্ত্বেও কাজের আদেশ প্রত্যাহার করেনি। জরিপ অনুযায়ী এই তথ্য দিয়েছে বিজনেস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস রিসোর্স সেন্টার (বিএইচআরআরসি)।

এসব ব্র্যান্ডের মধ্যে রয়েছে Adidas, ASDA, C&A, H&M, Inditex, Marks & Spencer, Next, Puma, PVH Corp, Tesco, Primark, Walmart প্রভৃতি।

বিএইচআরআরসি বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে আন্তার্জাতিক এসব ব্র্যান্ড কিভাবে বাংলাদেশে বাধা মোকাবেলা করছে, দায়িত্বশীল ক্রয়পদ্ধতি বজায় রাখছে, সরবরাহকারী ও ক্ষতিগ্রস্ত গার্মেন্টসকর্মীদের সহায়তা করছে সে সম্পর্কে তথ্য চেয়েছিল।

১৩টি ব্র্যান্ড বলেছে, তারা সরবরাহ চেইনে ব্যাঘাতের পর বিলম্বে ডেলিভারির জন্য জরিমানা করেনি।

রিসোর্স সেন্টার কিভাবে ব্র্যান্ডগুলি শ্রমিকদের মজুরি প্রদানের উপর নজরদারি করে এবং জুলাই-আগস্ট সময়ের জন্য সময়মতো এবং সম্পূর্ণরূপে মজুরি প্রদান করা নিশ্চিত করে সে সম্পর্কে অনুসন্ধান করেছে।

মজুরি প্রদানের বিষয়ে সাতজন ক্রেতা—GAP, PUMA, PVH, Primark, Tesco, Next ও H&M—জুলাইয়ের জন্য পূর্ণ মজুরি এবং সময়মতো মজুরি প্রদানের বিষয়টি নজরদারি করেছে এবং সহযোগিতা করেছে। Adidas, ASDA এবং M&S পর্যবেক্ষণ করেছে , কিন্তু নিশ্চিত করেনি যে মজুরি সময়মতো এবং সম্পূর্ণরূপে প্রদান করা হয়েছে। C&A, Inditex ও Walmart এ প্রসঙ্গে প্রশ্নের উত্তর দেয়নি।

C&A পোশাক সরবরাহকারীদের কম সুদে বা বিনা সুদে অর্থায়নের প্রস্তাব দিয়েছে এবং ডেলিভারি চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবিলা করার জন্য বিমান চালানের খরচও কভার করেছে।

প্রাইমার্ক বর্ধিত উৎপাদন এবং ডেলিভারির সময়সীমা, সরবরাহকারীদের উৎপাদন বাধা মোকাবিলা করতে জরিমানা ছাড়াই সহায়তা প্রদান করেছে, সমীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

শ্রমিকদের উপর প্রভাবের মধ্যে রয়েছে বাধ্যতামূলক ওভারটাইম, কারখানায় পৌঁছানোর জন্য শ্রমিকদের পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং মজুরি না দেওয়া বা বিলম্বিত করা।

তবে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি ফজলি শামীম এহসান বলছেন, বড় ব্র্যান্ডগুলো খুবই কৌশলগত কারণে ঘোষণা দিয়ে অর্ডার পরিবর্তন করবে না। অবিলম্বে অর্ডার স্থানান্তর সম্ভব নাও হতে পারে। কারণ কাঁচামাল ক্রয়, উৎপাদন পর্যায় এবং চালানসহ একটি কাজের আদেশ সম্পূর্ণ করার অনেক পর্যায় রয়েছে। কিন্তু অনেক কারখানা ব্যয়বহুল বিমান চালানের কারণে বাড়িতি ব্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। আবার বিমান ভাড়াও অতিরিক্ত বেড়েছে। এখন দিতে হচ্ছে ৬ থেকে ৭ ডলার প্রতি কেজি যা এক মাস আগেও ছিল মাত্র আড়াই ডলার।

গত মাসে অর্ডার প্লেসমেন্ট ধীরগতির ছিল, যার মানে হলো, অর্ডারগুলি বিশেষত ছোট কারখানা থেকে ছোট ক্রেতারা স্থানান্তরিত হতে পারে। একবার ছোট কারখানাগুলি তাদের কোনো ক্রেতাকে হারিয়ে ফেললে তাদের ফিরিয়ে আনা কঠিন।

মজুরি বকেয়া সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে এহসান বলেন, কিছু কারখানা রয়েছে যেগুলি এখনও মজুরি পরিশোধ করতে পারেনি। কারণ তারা আকারে ছোট এবং কাজের আদেশ ফেরত পেতে লড়াই করছে। আবার ব্যাংকগুলিও কোনো সহায়তা দিচ্ছে না।

এরই মধ্যে শ্রমিকরা মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনে নেমেছে এবং মালিকরা মজুরি বৃদ্ধির ঘোষণা দিতে বাধ্য হয়েছেন। (ফাইবার টু ফ্যাশন ডট কম থেকে অনুবাদ)

Logo

প্রধান কার্যালয়: ৬০৯০ ডাউসন বুলেভার্ড, নরক্রস, জর্জিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।

ই-মেইল: banglaoutlook@gmail.com

অনুসরণ করুন